খানসামার রাজনৈতিক ইতিহাসে রবিউল আলম তুহিন এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। তিনি সামান্য পরিবারের সন্তান হলেও পরিশ্রম, মেধা, সততা ও আদর্শের জোরে অসামান্য হয়ে উঠেছেন। রাজনীতি তাঁর কাছে কখনো ব্যক্তিস্বার্থের হাতিয়ার ছিল না, বরং নিপীড়িত মানুষের মুক্তি আর সাধারণ জনগণের অধিকারই ছিল তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।১৯৯৬ সাল থেকে দেশের রাজনীতিতে বহুবার পরিবর্তন এসেছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সামরিক শাসন, স্বৈরাচারী অপশাসন সবকিছুরই সংস্পর্শে এসেছেন তিনি। কিন্তু কোনোদিনই ক্ষমতার লোভে বা অন্যায়ের ভয় দেখিয়ে তাঁকে দুর্বল করা যায়নি। তিনি সবসময় মানুষের রাজনীতি করেছেন জনগণের সাথে থেকেছেন, কর্মীদের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল জানাজার নামাজ থেকে। যা খানসামার ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। যা প্রমাণ করে তিনি কেমন জনআস্থার প্রতীক ছিলেন।তুহিন ভাই সর্বদা সৎ উপার্জনের মাধ্যমে জীবন পরিচালনা করেছেন। তিনি কয়েকবার দিনাজপুর জেলার সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিলেন। অর্থ-প্রতিপত্তি গড়ে তুলেছেন নিজের পরিশ্রমে, কিন্তু ক্ষমতার দাপট বা অন্যায়ের সাথে আপস করেননি। আওয়ামী লীগের সুবিধাবাদী রাজনীতির সুযোগ নিলে শত শত কোটি টাকার মালিক হতে পারতেন, কিন্তু তিনি নেননি। জনগণের ভরসা থাকা, বিএনপির কর্মীদের পাশে থাকা এটাই ছিল তাঁর ধনসমম্পদ।এর বিপরীতে আমরা দেখেছি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান শাহাকে। সুযোগ পেয়েই তিনি দলত্যাগ করে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। আজ যদি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকত, তবে তিনি বুক ফুলিয়ে দাপিয়ে বেড়াতেন। অথচ সর্বোচ্চ সুবিধা নেয়ার পরও তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেননি। অন্যদিকে তুহিন ভাই সুবিধাবাদী রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে জনগণের জন্য রাজনীতিতে অবিচল থেকেছেন।কিছু মহল আজও বিভ্রান্তি ছড়াতে চায়। কর্নেল সাহেবের নাম টেনে কিছু লোক ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে। আমরা তাঁর প্রতি কোনো ব্যক্তিগত ক্ষোভ পোষণ করি না। তিনি চাইলে রাজধানীমুখী রাজনীতি করতে পারেন এটা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। কিন্তু তাঁর অনুসারী বা ভাড়াটে শক্তি যদি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে স্তব্ধ করার চেষ্টা করে, তখন জনগণই তার জবাব দেবে। কারণ খানসামার মাটিতে জনগণের ভরসার নাম একটাই রবিউল আলম তুহিন। ১৯৯১–১৯৯৬ : ছাত্রদল নেতা, ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ।
১৯৯১-৯২ সেশনে ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক
২০০১–২০০৬ : ইউনিয়ন যুবদল নেতা। ২০০৬–২০০৯ : ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।২০০৯–২০২০ : ৫ নং ভাবকী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক।
২০১৪ সালে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের ২ টি মিথ্যা মামলায় ঢাকা হাইকোর্ট থেকে জামিন নিতে হয়।
২০০৯–২০২০ : উপজেলা বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।২০২০ : উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক।২০২৩ : জেলা বিএনপি’র অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক বর্তমান -------।
২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে ৫ নং ভাবকী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হওয়ার পরেও সঠিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদে বসতে পারেন নি।
রবিউল আলম তুহিন কোনো ভুঁইফোড় নেতা নন। তিনি সেই কারিগর, যিনি ভাঙাচোরা দলকে সংগঠিত করেছেন, কর্মীদের ভরসা দিয়েছেন। আজকের খানসামার রাজনীতিতে তাঁর নামই আস্থার প্রতীক, ঐক্যের প্রতীক। তিনি শুধু একজন নেতা নন, তিনি খানসামার সংগ্রামী মাটির আশা-ভরসার আলোকবর্তিকা।
সম্পাদক : শাওন আমিন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মোঃ গিয়াস উদ্দীন, নির্বাহী সম্পাদক : ঝড় আমিন প্রকাশক : মোঃ সোহরাব আলী
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: হালিশহর, চট্রগ্রাম। ঢাকা অফিস : বাসা নং ৫১/৩ ধানমন্ডি ৩/এ ঢাকা-১২০৯
মোবাইল : 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟒𝟏𝟓𝟖𝟓𝟑 𝟎𝟏𝟓𝟖𝟎𝟖𝟐𝟎𝟔𝟔𝟑 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟎𝟔𝟏𝟏𝟔𝟑 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐡𝐚𝐰𝐨𝐧𝐚𝐦𝐞𝐞𝐧𝟓@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦