ফজলার রহমান গাইবান্ধা থেকে ঃ
নিজস্ব জমিতে শুরু করেন সবজি চাষ। এই সবজিই তাঁকে সফলতা এনে দেয়। অবশেষে এই সবজির টাকায় তাঁর অভাব দূর হয়, তিনি হয়ে উঠেন স্বাবলম্বী। পরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তিনি শুরু করেন চাষাবাদ।
কৃষক আব্দুর রশিদ মিয়া এবার ১০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন।এরমধ্যে ২ বিঘা জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচে উচ্চ ফলনশীল টমেটোর চারা লাগিয়েছেন। যে পরিমাণ টমেটোর ফলন হয়েছে, তাতে তিনি বর্তমান বাজার অনুযায়ী পাঁচ লক্ষাধিক টাকা আয়ের আশা করছেন।
কৃষক আব্দুর রশিদ মিয়া গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের পুর্ব দামোদরপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি, ১৯৯৯ সাল থেকে ধীরে ধীরে সবজীর চাষ করে অদ্যবধি ধারাবাহিকভাবে সবজি চাষ করে ব্যাপক সফলতা অর্জন করন।
রোববার (১১ জানুয়ারী) আঃ রশিদ মিয়ার বাগানে সরেজমিনে দেখা যায়, ফুলকপি-২ বিঘা,বাধাকপি-১ বিঘা,শিম-১ বিঘা,মিষ্টি কুমড়া -২ বিঘা, বেগুন- ২ বিঘা, সর্ব সাকুল্য তিনি ১০ বিঘা জমিতে উচ্চফলন শীল জাতের সবজী চাষ করে ব্যপক মুনাফা অর্জন করে সফলতার মুখ দেখতে শুরু করছেন।
সবজী চাষে তার সফলতার খবর শুনে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিরাও প্রতিনিয়ত তার সবজি ক্ষেত দেখতে আসছেন।এ ছাড়াও আশে পাশের এলকার সবজীচাষীরা তার কাছে পরামর্শ গ্রহণ করছেন।
স্থানীয় বেশ,কজন কৃষক জানান, আব্দুর রশিদ কৃষি বিভাগ থেকে পরামর্শ নিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করছেন। তাই তিনি সফল হয়েছেন। তাঁকে দেখে অনেকেই সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।রশিদ মিয়া একজন সফল সবজি চাষী। সবজি চাষ করেই স্বাবলম্বী হয়েছেন তিনি।
কৃষক আব্দুর রশিদ সাংবাদিকদের জানান,
পরিকল্পিতভাবে চাষ করলে ব্যবসার চেয়ে কৃষিকাজ করে অনেক বেশি লাভবান হওয়া যায়।
আমি চলতি মৌসুমীর সকল প্রকার সবজি বিক্রি করে ৩০ লাখ টাকা মুনাফা অর্জন করা সম্ভব হতে পারে। সবজি সমূহ বাজারজাতকারী ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে এবং উৎপাদিত সবজি সংগ্রহ করতে পারবে। এলাকার খাদ্য পুষ্টির চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত সবজী রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ শুরু করেছি।
কৃষক আব্দুর রশিদের সফলতা দেখে পলাশবাড়ীর সিনিয়র প্রবীণ সাংবাদিক নুরুল ইসলাম এই প্রতিবেদককে বলেন, বেকার যুবকেরা চাকরির পেছনে না ছুটে বা অনেক টাকা খরচ করে বিদেশে না গিয়ে দেশেই কৃষক আব্দুর রশিদের মতো স্বল্প পুঁজি নিয়ে কৃষিক্ষেত্রে স্বাবলম্বী হতে পারেন।
বার্তা প্রেরক,
মোঃ ফজলার রহমান
(সংবাদকর্মী)
পলাশবাড়ি, গাইবান্ধা।
১১/০১/২০২৬
০১৭৪৩-৬৬২৬৬৪
সম্পাদক : শাওন আমিন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মোঃ গিয়াস উদ্দীন, নির্বাহী সম্পাদক : ঝড় আমিন প্রকাশক : মোঃ সোহরাব আলী
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: হালিশহর, চট্রগ্রাম। ঢাকা অফিস : বাসা নং ৫১/৩ ধানমন্ডি ৩/এ ঢাকা-১২০৯
মোবাইল : 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟒𝟏𝟓𝟖𝟓𝟑 𝟎𝟏𝟓𝟖𝟎𝟖𝟐𝟎𝟔𝟔𝟑 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟎𝟔𝟏𝟏𝟔𝟑 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐡𝐚𝐰𝐨𝐧𝐚𝐦𝐞𝐞𝐧𝟓@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦