স্টাফ রিপোর্টার:একটি প্রাণ বাঁচানোর আশায় পরিবারের ছুটোছুটি—কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের অবহেলা ও অনিয়মে মৃত্যু। এমন অভিযোগ উঠেছে রাজধানীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নেক্সাস হাসপাতাল এবং এর সঙ্গে যুক্ত এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, প্রাইভেট চিকিৎসার জন্য প্রথমে একজন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় তাদের রোগীকে। ডাক্তার রোগী দেখে জানান, তার প্রেসার কম এবং হার্ট অ্যাটাক হয়েছে, দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। পরিবারের আর্থিক অবস্থা জানার চেষ্টা করে ডাক্তার দ্রুত রোগীকে নেক্সাস হাসপাতালে পাঠান।
সন্ধ্যার সময় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরপরই শুরু হয় একের পর এক কাগজে সই করানো ও ওষুধ কেনার নির্দেশ। তবে রোগী নিজে জানিয়েছেন, তাকে কোনো ওষুধ দেওয়া হয়নি। কিছুক্ষণ পর ডাক্তার অনুমতি ছাড়াই এনজিওগ্রাম করিয়ে ফেলেন এবং পরিবারের কোনো প্রস্তুতির সুযোগ দেননি।
পরিবারের ভাষ্য, এনজিওগ্রামের সময় রোগীর রগে একাধিক ছিদ্র করে ফেলেন ডাক্তার। কিন্তু বিষয়টি তাদের জানানো হয়নি। পরবর্তীতে ডাক্তার জানান, রোগীর অবস্থা ভালো নয় এবং রক্ত দিতে হবে। রক্ত দেওয়ার পরও অবস্থার উন্নতি হয়নি, বরং সাত ব্যাগ রক্ত দেওয়ার পর রোগীকে আইসিইউতে নেওয়ার কথা বলা হয়। কারণ হিসেবে জানানো হয়, রোগীর জন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন নেই।
পরে রোগীকে ঢাকার আর্মি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসকরা জানান—রোগীকে “মৃতপ্রায়” অবস্থায় আনা হয়েছে। স্ক্যান রিপোর্টে দেখা যায়, রগে একাধিক ছিদ্র রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, যদি ছিদ্র আগেই থাকত তাহলে রিং পরানোর প্রয়োজন ছিল না, যা প্রমাণ করে চিকিৎসার সময়ই এই ক্ষতি হয়েছে।
অভিযোগ আরও গুরুতর হয় যখন জানা যায়, একই চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় পরবর্তীতে আরও দুইজন রোগী মারা গেছেন। ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন, নেক্সাস হাসপাতাল এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক রোগীদের জীবন নিয়ে খেলছেন এবং মুনাফা অর্জনের জন্য অপ্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন।
পরিবার ও অন্যান্য ভুক্তভোগীরা দ্রুত এ ঘটনার বিচার ও হাসপাতালের কার্যক্রম তদন্তের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক : শাওন আমিন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মোঃ গিয়াস উদ্দীন, নির্বাহী সম্পাদক : ঝড় আমিন প্রকাশক : মোঃ সোহরাব আলী
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: হালিশহর, চট্রগ্রাম। ঢাকা অফিস : বাসা নং ৫১/৩ ধানমন্ডি ৩/এ ঢাকা-১২০৯
মোবাইল : 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟒𝟏𝟓𝟖𝟓𝟑 𝟎𝟏𝟓𝟖𝟎𝟖𝟐𝟎𝟔𝟔𝟑 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟎𝟔𝟏𝟏𝟔𝟑 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐡𝐚𝐰𝐨𝐧𝐚𝐦𝐞𝐞𝐧𝟓@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦