ফজলার রহমান গাইবান্ধা থেকে ঃবাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ পলাশবাড়ী উপজেলা শাখার আয়োজনে পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও আলোচনা অনুষ্ঠান ২৫ নভেম্বর উপজেলা পরিষদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি নাজিমুজ্জামান, আশরাফুল ইসলাম, আবু সায়েম,সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ স্মারকলিপির মাধ্যমে, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকদের যুক্তি সংগত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার বিষয়টি রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হিসাবে বলা হয়েছে । একজন কর্মচারির পরিবারে ৬ জন
সদস্য বিবেচনায় সর্বনিম্ন বেতন ৮২৫০ টাকায় ৩ বেলা খাবার, মাথা গোঁজার ঠাই, চিকিৎসা, সন্তানের শিক্ষা,
অতিথি আপ্যায়ন ও বিনোদন ব্যয় মিটিয়ে মানবিক ও সামাজিক মর্যাদা নিয়ে জীবন ধারন করা সম্ভব নয় ।
এছাড়া ২০ থেকে ১১ গ্রেডের কর্মচারিদের বেতন ৮২৫০ টাকা থেকে শুরু হয়ে ১২৫০০ টাকায় শেষ হয়েছে ।এই ১০ গ্রেডের বেতন স্কেলের মোট পার্থক্য ৪২৫০ টাকা একই সময়ে ১০ থেকে ১ম গ্রেডের কর্মকর্তাদেরবেতন ১৬০০০ টাকা থেকে শুরু করে ৭৮০০০ টাকায় শেষ হয়েছে। ১-১০ গ্রেডের বেতন স্কেলের মোট পার্থক্য ৬২০০০ টাকা । এছাড়াও কর্মকর্তাদের রয়েছে গাড়ী, আবাসিক সুবিধা, সুদমুক্ত গাড়ীর ঋণ, কুক-মশালচি, দারোয়ানসহ নানাবিধ সুবিধা এমনকি সচিব ও সিনিয়র সচিবদের কুক ও গার্ড পদে লোক নিয়োগদিয়ে সেবা না নিয়ে প্রতি মাসের বেতনের চেকের সাথে ১৬০০০+ ১৬০০০ = ৩২০০০ টাকা করে প্রদানকরাসহ একাধিক সুবিধা প্রদান করা হলেও আমাদের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের বেতন-ভাতাদি খাতে কোন
সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়নি । ১ম -২০তম গ্রেডের বেতনের অনুপাত ১:১০। অথচ আমরা প্রত্যেকেই
একই বাজার ব্যবস্থার কাঠামোর আওতায় জীবন ধারণ করি, এতে প্রতিদিন শ্রেণী বৈষম্য প্রকট আকার ধারণকরছে । ২০১৫ সালে ৮ম পে-স্কেল ইতোমধ্যে ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে ।বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সকল নাগরিক চাকুরীর ক্ষেত্রে পদবী অনুযায়ী সকল সুযোগ সুবিধাসমানভাবে ভোগ করার কথা থাকলেও সচিবালয়ের বাহিরের দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্বসাশিত প্রতিষ্ঠানের ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিরা সে সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
বর্তমান বাজারের দ্রব্য-মূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারিদের পরিবার পরিজন নিয়ে
কেমন অবস্থার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন সে বিষয়ে আপনি অবগত রয়েছেন । প্রতি মাসের প্রাপ্ত বেতন ভাতাদিয়ে কোন কর্মচারিই পরিবার নিয়ে চলতে পারে না । তাই বর্তমানে প্রদত্ত ভাতাসমূহ যেমন মেডিকেল ভাতা ১৫০০ টাকার স্থলে ৫০০০ টাকা করতে হবে। টিফিন ভাতা ২০০ টাকার স্থলে ৫০০০ টাকা করতে হবে । যাতায়াত ভাতা ৩০০ টাকার স্থলে ৩০০০, টিফিন ভাতা ২০০টাকার স্থলে ৩০০০ টাকা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা সন্তান প্রতি ৫০০ টাকার স্থলে ৩০০০ টাকা করার দাবী জানাচ্ছি ।এছাড়া ঝুকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য মূল বেতনের ৩০% ঝুঁকিভাতার দাবী জানাচ্ছি । বর্তমানে প্রদত্ত বাড়ী ভাড়া ভাতা ৪০% এর পরিবর্তে ৮০% করার দাবী জানাচ্ছি । এছাড়া বৈশাখী ভাতা ২০% এর পরিবর্তে ১০০% প্রদানসহ আগামী বিজয় দিবস থেকে বিজয় দিবস ভাতা চালুর দাবী জানাচ্ছি। সেই সাথে চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়স সীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করা জরুরী।
দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতির কারণে পরিবারের ভরণ পোষণের ব্যয় বৃদ্ধি ও কর্মচারিদের ন্যায্য অধিকার বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল ১:৪, ১২টি গ্রেডের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ৩৫,০০০/-টাকায় ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে পে-কমিশনের রিপোর্ট প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণের মাধ্যমে আপনার মহানুভবতায় ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের জন্য অনুরোধ জানিয়েছন।
সম্পাদক : শাওন আমিন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মোঃ গিয়াস উদ্দীন, নির্বাহী সম্পাদক : ঝড় আমিন প্রকাশক : মোঃ সোহরাব আলী
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: হালিশহর, চট্রগ্রাম। ঢাকা অফিস : বাসা নং ৫১/৩ ধানমন্ডি ৩/এ ঢাকা-১২০৯
মোবাইল : 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟒𝟏𝟓𝟖𝟓𝟑 𝟎𝟏𝟓𝟖𝟎𝟖𝟐𝟎𝟔𝟔𝟑 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟎𝟔𝟏𝟏𝟔𝟑 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐡𝐚𝐰𝐨𝐧𝐚𝐦𝐞𝐞𝐧𝟓@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦