ফজলার রহমান গাইবান্ধা থেকে ঃ
পলাশবাড়ী পৌর এলাকার গৃরিধারীপুর গ্রামে কোর্টের মামলা উপেক্ষা করে জমি জবরদখল করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, গৃধারিপুর গ্রামের ডিপটি শেখের ছেলে মনজু মিয়ার সাথে একই গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে রবিউল ইসলাম, সাহারুল ইসলাম সাইনুর,সামাদের স্ত্রী মজিদা বেগম এর সাথে দীর্ঘদিন যাবত জমি জমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল।এমতাবস্থায় বিবাদীরা নালিশি জমি অবৈধভাবে দখল করার চেষ্টা করলে বাদী মঞ্জু মিয়া বিজ্ঞ আদালতে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইঃ মামলা নং-৩৬৫/২০২২ ও
মিস কেস নং-৩৮০/২৩-২৪ এবং মামলা নং-২১১/২১ দায়ের করেন।বর্তমানে মামলা গুলো বিজ্ঞ আদালতে
চলমান আছে। উক্ত মামলা চলমান থাকায় উক্ত মামলা চলমান থাকাবস্থায় বিবাদীগণ অন্যায়ভাবে ২৭/০৮/২০২৫ ইং তারিখ সকাল অনুমান
০৯.০০ ঘটিকার সময় আমাকেসহ আমার পরিবারের কাউকে কিছু না বলিয়া আমাদের জমিতে টিনের
ছাপড়া ঘর উত্তোলন করিতে ধরিলে আমরা নিষেধ করায় বিবাদীগণ আমাদেরকে মারপিট করাসহ হাত,পা
ভাঙ্গিয়া দিবে মর্মে হুমকী প্রদান করে। বিবাদীরা খারাপ প্রকৃতির হওয়ায় আমরা প্রতিবাদ করার সাহস পাই
নাই। বর্তমানে বিবাদীরা উক্ত স্থানে ঘর উঠানোর কাজ চালিয়ে যাইতেছে। তফশিল বর্ণিত জমি লইয়া
যেকোন সময় উভয় পক্ষের মধ্যে দাঙ্গা-হাঙ্গামাসহ আইন শৃঙ্খলার অবনতির আশু সম্ভাবনা রহিয়াছে বলে বাদি সাংবাদিকদের জানায়।
এ ব্যাপারে বাদী মনজু মিয়া পলাশবাড়ি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বাদি আরো জানায়, বিবাদীরা অত্যন্ত দুর্দান্ত এটি একটি সুসংগঠিত ভূমিদস্যু চক্র এবং সন্ত্রাসী প্রকৃতির হওয়ায় তাদের সামনে কথা বলতে কেউ সাহস পায় না।
বাদির তফসিল বর্ণিত জমি মৌজা-প্রধারীপুর,জেএল নং-৭০ খতিয়ান নং-১৮৩,২৫০, ৩৭৪ সাবেক দাগ নং-৯১৩, ২১১৩ জমি ০৫.৩৭ শতক নালিশী জমি।
এমতা অবস্থায় বাদী মনজু মিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে পুলিশ বিভাগের উচ্চ পর্যায়ের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সম্পাদক : শাওন আমিন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মোঃ গিয়াস উদ্দীন, নির্বাহী সম্পাদক : ঝড় আমিন প্রকাশক : মোঃ সোহরাব আলী
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: হালিশহর, চট্রগ্রাম। ঢাকা অফিস : বাসা নং ৫১/৩ ধানমন্ডি ৩/এ ঢাকা-১২০৯
মোবাইল : 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟒𝟏𝟓𝟖𝟓𝟑 𝟎𝟏𝟓𝟖𝟎𝟖𝟐𝟎𝟔𝟔𝟑 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟎𝟔𝟏𝟏𝟔𝟑 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐡𝐚𝐰𝐨𝐧𝐚𝐦𝐞𝐞𝐧𝟓@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦