ফজলার রহমান গাইবান্ধা থেকে ঃবিগত সময়ে একাধিক ধর্ষণের ঘটনায় এ জেলায় বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে বিচারের ফাঁসি,যাবজীবনসহ বিভিন্ন মেয়াদে অনেকে অপরাধি'র শাস্তি হয়েছে। তবুও এ জেলায় ধর্ষণের ঘটনা দমানো যায়নি। গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার এবার বাসর ঘরে গণধর্ষণের শিকার হয়েছে এক নববধূ। এঘটনায় জেলা জুড়ে মানুষের মাঝে চলছে না সমালোচনা, জেলার সচেতন ও সাধারণ মানুষ মনে করেন, ধর্ষকের সাথে জড়িত ধর্ষকের শাস্তির পাশাপাশি ধর্ষকের পরিবারেরও সকলের বিচার করা দরকার। তবেই হয়তো সম্ভব হবে ধর্ষণের মতো ঘটনা রোধ করা।
জানা যায়, সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ওসমানের পাড়া গ্রামের আসাদুল শেখের ছেলে আসিফ মিয়া (২০) এর সাথে একই জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের(১৮)বছরের এ নববধূ'র বিয়ে হয়। এ বিয়ের পর প্রথম বাসর রাতেই স্বামী আসিফ মিয়ার সহায়তায় গণ ধর্ষনের শিকার হয় এই নববধূ । এতে নববধূ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরের দিন দুপুরে মেয়েটিকে উদ্ধার করে তার স্বজনরা প্রথমে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে এ ঘটনায় সাথে সরাসরি জড়িত ও সহযোগীতা করার অভিযোগে ৭ জনকে গ্রেফতার করে।
আটকৃতরা হলো সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের ওসমানের পাড়া গ্রামের আসাদুল শেখের ছেলে নববধূর স্বামী আসিফ মিয়া(২০), বিদ্যুৎ শেখের ছেলে মমিনুল ইসলাম (১৮), আজাদুল ইসলামের ছেলে মানিক মিয়া(১৮), দুলু মন্ডলের ছেলে মাহিদ মন্ডল(১৮), গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শ্রীমুখ গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মানিক মিয়া(২২), মহিমাগঞ্জের বামন হাজরা গ্রামের এনামুল শেখের ছেলে মারুফ ইসলাম(১৮), আইনুল শেখের ছেলে নয়ন ইসলামকে গ্রেফতার করে।
পরে বরের বাড়ি ও উক্ত ঘটনাস্থল সাঘাটায় হওয়ায় গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ আটককৃত ৭ জন কে সাঘাটা থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেছে।
সম্পাদক : শাওন আমিন, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক : মোঃ গিয়াস উদ্দীন, নির্বাহী সম্পাদক : ঝড় আমিন প্রকাশক : মোঃ সোহরাব আলী
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: হালিশহর, চট্রগ্রাম। ঢাকা অফিস : বাসা নং ৫১/৩ ধানমন্ডি ৩/এ ঢাকা-১২০৯
মোবাইল : 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟒𝟏𝟓𝟖𝟓𝟑 𝟎𝟏𝟓𝟖𝟎𝟖𝟐𝟎𝟔𝟔𝟑 𝟎𝟏𝟕𝟏𝟐𝟎𝟔𝟏𝟏𝟔𝟑 𝐄-𝐦𝐚𝐢𝐥 : 𝐬𝐡𝐚𝐰𝐨𝐧𝐚𝐦𝐞𝐞𝐧𝟓@𝐠𝐦𝐚𝐢𝐥.𝐜𝐨𝐦