1. live@dailyzhornews.com : দৈনিক ঝড় : দৈনিক ঝড়
  2. info@dailyzhornews.com : দৈনিক ঝড় :
শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ০৮:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জেলা বিএনপির সভাপতির নামে মিথ্য গুজব প্রতিবাদ উপজেলা বিএনপির পঞ্চগড়ে বিএনপির সদস্য সংগ্রহ শুরু ভিপি নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে আটোয়ারীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাবনার চাটমোহরে প্রবাসীর অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে নিহতের শ্বাশুড়ী ও ছেলে আটক আবারো ঠাকুরগাঁও গণমাধ্যম কর্মী কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি জিয়াউর রহমান বকুল ও সাধারণ সম্পাদক রেদওয়ান মিলন গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে পঞ্চগড় সবুজ আন্দোলনের উদ্যোগে পরিবেশ বিপর্যয় রোধে করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও গাছের চারা বিতরণ খানসামা উপজেলা বিএনপির দূর্দিনের কান্ডারী, দিনাজপুর জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আলম তুহিন খানসামায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত বাস্তবতার শিক্ষা //  জাহিদ চৌধুরী

অপছন্দের প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করানোয় গর্ভবতী নারীর চিকিৎসা বন্ধ করলেন সরকারি চিকিৎসক

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক।।অপছন্দের প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করানোয় গর্ভবতী এক নারীর চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আইরিস রহমানের বিরুদ্ধে।

শনিবার (৯ আগস্ট) হাসপাতালে ভর্তি থাকা ওই রোগীর সঙ্গে এমন আচরণের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী ও তার স্বজনরা।

ভুক্তভোগী প্রসূতি নারীর নাম সোহাগী আক্তার। তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের স্ত্রী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডের ৮ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের অভিযোগ, অপছন্দের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের একটি ল্যাব থেকে পরীক্ষা করানোর কারণেই তারা এ ধরনের অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছেন।

ভুক্তভোগীর স্বামী জাহাঙ্গীর আলম জানান, শুক্রবার তার স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। দুর্ভাগ্যবশত রাতেই গর্ভের সন্তান মারা যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক কিছু পরীক্ষা করাতে বলেন। তিনি বাইরে একটি ল্যাব থেকে পরীক্ষা করান, যা নিয়েই শুরু হয় বিপত্তি।

তিনি বলেন, “গর্ভের সন্তান মারা যাওয়ার পর স্ত্রী খুব দুর্বল হয়ে পড়ে। রক্তক্ষরণ হওয়ায় রক্ত দেওয়া হচ্ছিল, স্যালাইনও চলছিল। শনিবার সকালে গাইনি বিভাগের চিকিৎসক মোছা. আইরিস রহমান রাউন্ডে এসে রোগীর ফাইলে দেখেন, হাসপাতালে না করে পাশের ‘নিউক্লিয়ার ল্যাব’ থেকে পরীক্ষা করানো হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি রেগে গিয়ে বলেন, ‘কিয়ামত হলেও এই রোগীর এখানে কোনো চিকিৎসা হবে না।’ এরপর তিনি রক্তের লাইন ও স্যালাইনের ক্যানুলা টেনে খুলে ফেলেন।”

জাহাঙ্গীর আরও জানান, রাতে হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগ বন্ধ থাকায় এবং বিকল্প না থাকায় বাইরে পরীক্ষা করাতে বাধ্য হয়েছিলেন তারা, কিন্তু চিকিৎসক তা শোনেননি।

পাশের রোগী ও স্বজনরা জানান, “আমরা সবাই দেখেছি ডাক্তার এসে রোগীর চিকিৎসা বন্ধ করে দেন, কারণ বাইরের রিপোর্ট। একজন চিকিৎসক এমনটা করতে পারেন, তা কল্পনার বাইরে।” তারা আরও বলেন, “এর আগেও তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় বহু অভিযোগ ছাপা হয়েছে, কিন্তু ব্যবস্থা না নেওয়ায় রোগীদের সঙ্গে খারাপ আচরণের মাত্রা বেড়েছে। তার বদলি ও শাস্তি জরুরি।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আইরিস রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে সিভিল সার্জন আনিছুর রহমান বলেন, “বিষয়টি দুঃখজনক। রোগীর স্বজনরা লিখিত অভিযোগ দিলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য ও ছবি পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রকাশিত যেকোনো লেখার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত দায়ভার কেবলমাত্র, সম্পাদক এর।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট