হরিপুর প্রতিনিধি।। চেয়ারম্যানদের ভুলবুঝিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার অফিস সহায়ক ও কার্যসহকারীর বিরুদ্ধে। এতে ৬ ইউপি চেয়ারম্যান লিখিত অভিযোগ করেছেন ত্রান ও দূযোর্গ মন্ত্রনালয়ে।অভিযোগে জানাযায়, ৬ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হরিপুর উপজেলা আর এ ৬ ইউপি চেয়ারম্যান লিখিত অভিযোগ করেছেন ঢাকা মহাপরিচালক ত্রাণওদূযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরও দূযোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা অফিসের অফিস সহায়ক বিষ্ণু রায় ও কার্য্যসহকারি জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে। অফিস সহায়ক বিষ্ণু রায় ১১ বছর ধরে একই অফিসে কর্মরত থাকার ফলে সমস্ত সিন্ডিকেটের মুল হোতা হয়ে উঠেছেন।
গত ২৪ এর গন অভ্যুত্থানের পর সমস্ত অফিস আদালতের রদবদল হলেও হয়নি বিষ্ণু রায়ের বদলি। ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমল থেকে কাজ করে আসার ফলে টাকার পাহাড় গড়ে তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি জাহাঙ্গীর আলম ৯ বছর যাবৎ একই অফিসে থাকার কারণে তারা দুজনে একই সুত্রে গাঁথা। এনিয়ে ইউপি চেয়ারম্যানরা জানান, গত ১২ মে ২৫ সালের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কথা বলে আমাদের ৬ জন চেয়ারম্যানের কাছ থেকে হলরুম মেরামতের জন্য সবার কাছে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৩ লক্ষ টাকা নিয়েছে।
পরবর্তীতে আমরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মফিজুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কাজের জন্য আমি কোন টাকা পয়সা চায়নি বরং ২ টি প্রকল্প হতে হলরুম মেরামতের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩ লক্ষ টাকা করে মোট ৬ লক্ষ টাকা। এতে আমরা বিষয়টি বুঝতে পারি যে আমাদের ৩ লক্ষ টাকা বিষ্ণু আত্মসাত করেছেন। চেয়ারম্যানরা আরো জানান, আমাদের প্রকল্প চেয়ারম্যাদের কাছ থেকে প্রতি প্রকল্পে ১৫% হারে টাকা নেন বিষ্ণু রায় ও জাহাঙ্গীর আলম ।
তাছাড়া বিগত ১৭ বছর আওয়ামী সরকারের আমলে বহু বরাদ্দের টাকা কাঁজ না করে টাকা উত্তোলন করে ভাগাভাগি করে আত্মসাৎ করেছেন। আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট এমপি দবিরুল ইসলামের আমলে বিশেষ বরাদ্দের টাকা কাজ না করেই টাকা ভাগাভাগি করে নেন। যাহার ডকুমেন্ট তাঁর পারসোনাল একাউন্ট ১৯০৯১০০০০৮৩৭১ সোনালী ব্যাংক হরিপুর উপজেলা শাখায় তলব করলেই পাওয়া যাবে। এবিষয়ে কার্যসহকারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাকে বিষ্ণু যেভাবে দিকনির্দেশনা দিয়েছে আমি সে ভাবে কাজ করেছি। অফিস সহায়ক বিষ্ণু রায়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন।
এবিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন,আমরা চেয়ারম্যানগন মহাপরিচালক ত্রাণ ও দূযোর্গ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর দূযোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি, দেখা যাক কি হয়।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত) সামলিয়ে মার্ডি বলেন,ঘটনাটি আমি আপনার কাছে জানলাম আমার এখানে যোগদানের বেশি দিন হয়নি, এটি আগের ঘটনা । তাছাড়া চেয়ারম্যান সহ সকলের সঙ্গে কথা বলে জানাযাবে।