
দু’দিনেরই পান্থশালায় আমরা কেন এতো পর?
মিছে ভাবগাম্ভীর্যে সাজিয়ে তুলি কাঁচের বালুচর!
মুঠো ভরে যা আঁকড়ে ধরি, কাল তা ধুলোর রাশি,
অবেলায় সব ফুরিয়ে যাবেই, থামবে মুখের হাসি।
কেন এতো তবে দম্ভ আমার, কেন এতো অহংকার?
মাটির দেহ মাটিতেই মিশবে, ঘনকালো অন্ধকার।
অহমিকায় বসে আজ ভাবি আমিই সবার বড়,
সময় এলে দেখবে আমি, একাই দাঁড়িয়ে জড়।
কেন এতো রোষ, কেন এতো বিষ হৃদয়ে পুষে রাখা?
বিদ্বেষের এই বিষবাষ্পে ভালোবাসা যায় ঢাকা।
যাকে আজ ভাবছি শত্রু, যার সাথে আজ আঁড়ি,
একই পথেই দিতে হবে সেই ওপারেই যে পাড়ি।
খালি হাতেই আসা ভবে, যেতেও হবে একা,
রবে না কোনো বিত্তবিভব, রবে না কোনো সখা।
রবে শুধু আমার দেয়া একটু খাঁটি হৃদয়ের দান,
মানুষের তরে বিলিয়ে দেওয়া একটুখানি প্রাণ।
ক্ষণজন্মা এই জীবনটাকে ভালোবাসায় ভরো,
অহমিকা ত্যাগ করে ভাই, হাতটা চেপে ধরো।
বিদ্বেষ ভুলে চলো, ধরো সব মিলাও হাতে হাত,
আসল আলোয় দূর হয়ে যাক অহমিকার জাত।