মনের কি দোষ বলো জ্যোতির্ময়?
তার তো নিজস্ব কোনো স্থায়িত্ব নেই।
ছুঁটে বেড়ায় দাপটের সাথে আবার ক্লান্ত
হয়ে ফিরে আাসে তার পৃথিবীতে।
কখনো রক্তাক্ত হয়, কখনো জলে ডুব দেয়,
কখনো আগুনে পুড়ে পুড়ে নীলাভ কালচে হয়।
আবার কখনো ভেসে বেড়ায় না পাওয়ার
অনুতাপের বিষণ্ণতায়।
জ্যোতির্ময়, ইচ্ছের নাটাই বড্ড বেসামাল
উপ্ত আলোর জোছনার প্লাবন, চিহ্নহারা ঠিকানা বিহীন,
বিষন্নতার অন্ধবাসে ডুকরে কাঁদে, বেহাগ সুরে ধল প্রহরে।
হৃদয় মাঝে মাদল বাজে, পায়ের নীচে সূর্য কাঁপে।
কাঁপতে থাকে যুগপৎ যেথা সেথা,
ইচ্ছে করলে হ্যাঁচকা টানে ছুড়ে দিতে পারো
ভালোবাসার আদ্যোপান্ত,
জড়িয়ে নিতে পারো এক নিমিষেই, বুকের ভেতর নাম
লিখতে পারো যত্ন করে,
আবার মিশিয়ে দিতে পারো একঘষায় রক্ত ক্ষরণ হবে,
কষ্ট হবে, বিলাপ তেমন হবে কি?
তুমি আমার গহীন জলের বিষাদ মায়া,
ভিজে রোদ্দুরে দহন নীলে তুমিই আমার সুতোর বুনন।
ইচ্ছে করলে ছিঁড়তে পারো কুটিকুটি,
আবার মানিয়ে নিতে পারো ঠোঁটের ভাঁজে ভাঁজে উষ্ণতায়।
ইচ্ছে হলে জমিয়ে রেখো বুকের জমিনে, রুয়ে রেখো নীলপদ্ম অধিক যতনে,
‘জ্যোতির্ময়’ কতোটা আর নষ্ট হবে জীবন,কতোটা আর কষ্ট পাওয়া বলো?
নষ্ট আলোয় ডুবে থাকি, ভুল করেছি তোমার বুকের সাথে সেঁটে থেকে।
রাশি রাশি তৃষ্ণা,শূন্যতার অথই পাথার।
তবুও প্রত্যাশারা জেগে থাকে নিদারুণ অসুখে শুশ্রূষাবিহীন।