একদা এক সচেতন বাবা, সন্তানেরে,
ভাবিলেন দিতে শিক্ষা তার জীবনেরে।
ভবিষ্যৎ তার পড়ে আছে কল্পনাতীত,
না শিখিলে কেমনি গড়বে দৃঢ়তার ভীত।
লাগালেন বাবা এক মই উঁচুতম প্রাচীরে,
বলিলেন, যাও বাবা মইতে উঠো ধীরেধীরে।
বাবার কথায় খেলার ছলে, ছেলে প্রাচীরে,
দাঁড়িয়ে দেখলো চারিদিক নয়ন জুড়িয়ে।
ইতিমধ্যে বাবা ফেললেন মইটা সরিয়ে,
দিশেহারা ছেলে, দৃষ্টি যায় সীমানা পেরিয়ে।
মইতে নেই ছেলের দৃষ্টি, শুরু হলো বৃষ্টি,
নামতে হবে নিচে, বললো একি অনাসৃষ্টি।
গেল কই মই, কিভাবে নামবো ওহে বাপ,
করিসনে ভয়, নেমে পড় দিয়ে এক লাফ।
না বাপু পাবো যে ব্যাথা, ফাটতে পারে মাথা,
দে লাফ, আমি ধরবো তোরে দিলাম কথা।
বাপের আশ্বাস, নিয়ে নিঃশ্বাস দিলো ঝাপ,
‘ধপাস’ পরলো ছেলে মাটিতে, নিশ্চুপ বাপ।
ব্যাথার কাতরে বলে ছেলে, বাবা কই আশ্বাস?
সামনে চলার পথে বাবারেও করিসনা বিশ্বাস।
শুনবি অনেক আশ্বাস, মুগ্ধকর কথার বাতাস,
কতো জন, কতো মন, কতোযে দিব্বিকর পণ,
করিসনে সবি বিশ্বাস, যদি গড়তে চাস জীবন।
দেখবি সবই ধোকা, বনবি বোকা, অচল চাকা,
তাইতো বাবা দিলেম, তোরে এলেম, হতে পাঁকা।
**********