
পেয়ার আলী ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে দিনে, দিনে, বেড়েই চলছে অটোবাইকের সংখ্যা। এই শহরে প্রতিনিয়ত সরকারি বেসরকারি স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীরা আসেন দরকারি বিভিন্ন কাজে। যেইভাবে পৌরশহরে দিন দুপুরে যাত্রীদের কাছ থেকে অটোবাইক এর চালকেরা তাহলে তো যাত্রীদের অভিযোগ থাকবে এইটা সত্যি। কথায় আছে যে চোর চুরি করে রাতে আর চালকরা চুরি করছে দিনে সেটা আবার যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নিয়ে। এভাবে বেশি দিন চলতে থাকলে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়বে বলে মনে করা যায়। যেখানে সাধারণ মানুষ অনেক কষ্ট করে অন্যের বাড়িতে কাজ করে টাকা আয় করে সংসার চালায়। এবং তাদের ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করার জন্য প্রতিদিন স্কুল কলেজ যাওয়া জন্য হাতেখড়ি দেয়। এইভাবে চালকদের বাড়তি ভাড়া দিলে তো এই মানুষগুলা ফতুর হয়ে যাবে। এই মানুষ তখন নিজের সংসার চালাবে নাকি ছেলে মেয়ে পড়াশোনা জন্য বাড়তি ভাড়া দিবে চালকদের। এই বাড়তি ভাড়া নেওয়ার কারণে দেখা যাবে গরিব অসহায় মানুষেরা তাদের ছেলে মেয়েদেরকে স্কুল কলেজ পাঠানো বন্ধ করে দিবে এমনটা আশঙ্কা করা যাচ্ছে। এই চালকদের বাড়তি ভাড়া দেওয়া সম্ভব ধনী পরিবারের স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীদের পক্ষে কিন্তু নিম্নআয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের কাছে এই বাড়তি ভাড়া দেওয়া খুব কষ্টদায়ক হয়ে দাড়াবে। যেখানে এই পরিবারগুলো নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা সেখানে বাড়তি ভাড়া চালকদের দিতে সামর্থ্য নেই। রাণীশংকৈল অটোবাইক সমিতি চালকদের নির্ধারিত ভাড়ায় যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া নেওয়ার একটা তালিকা দিলেও সেটা অমান্য করে তারা যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা চালকদের বিরুদ্ধে। যেখানে রাণীশংকৈলে থেকে নেকমরদ বাজার যেতে ভাড়া ধরা হয়েছে ২০টাকা সেখানে ভোলাপাড়া সিরাজুল ঘুন্টি কুমারগঞ্জ বাজারে গেলে দিতে হয় ১৫টাকা করে ভাড়া আর মীরডাঙ্গী বাজার থেকে শিবদিঘি যেতে হয় ১০টাকা মীরডাঙ্গী থেকে ভোলাপাড়া যাওয়ার জন্য দিতে ১০টাকা ভাড়া এইভাবে করেই চলছে যাত্রীদের কাছ থেকে নিচ্ছে চালকেরা বাড়তি ভাড়া। চালকদের কাছে বেশি ৫টাকা বাড়তি ভাড়া নেওয়ার বিষয়ে জানাতে চাওয়া হলে তারা বলেন, “মামু ৫টার ভাড়া আর নেই’ এখন ১০টাকা ভাড়া দিতে হবে ওইগুলা দিন চলে গেছে আমরা যেটা ভাড়া নিবো সেটাই দিতে হবে। ভাড়া নিয়ে আবার অনেক যাত্রী আর চালকদের মধ্যে ঝগড়া বেঁধে যায় অনেক সময়। বিশেষ করে তো ভ্যান অটোগুলা পৌরশহরের শিবদিঘি জুলাই চত্বর থেকে চাঁদনী রাস্তা কলেজ গেলে দিতে হয় ১০টাকা করে বাড়তি ভাড়া আবার পৌরহরের যেখানে যান ১০টাকার ভাড়া নিচে কোন চালকেরা যেতে চাই। তাদের কথা হলো মামু ভাড়া ঠিক হলে যাবে না হলে ওইদিকে যান। এইভাবে সাধারণ যাত্রীরা বাড়তি ভাড়া দিয়ে প্রতিনিয়ত রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে।
এইভাবে কষ্ট আর ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা চালকদের বাড়তি ভাড়া দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হয়ে। এই রকম অনিয়ম চিত্র কারো চোখে ভেসে উঠতেছে না সবাই যেনো নিরবে এটা সইজো করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত কিন্তু প্রতিবাদ কেউ করছেন না। তাই চালকদের বাড়তি ভাড়া নেওয়ার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে সরেজমিনে সু-দৃষ্টিতে এবং এই চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলছেন সাধারণ যাত্রীরা।