শহীদুল ইসলাম শহীদ, পঞ্চগড়।।বাংলাদেশে ধান ও গমের পর আলু অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড়সহ বিভিন্ন জেলায় বিপুল পরিমাণ আলু উৎপাদিত হলেও সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণে ঘাটতির কারণে কৃষকরা প্রায়ই ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। এ বাস্তবতাকে সামনে রেখে উদ্যোক্তাদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পঞ্চগড়ে অনুষ্ঠিত হলো আলু বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা।
২৫ আগস্ট (সোমবার) সকালে পঞ্চগড় কৃষি বিপণন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করে ‘আলুর বহুমুখী ব্যবহার, সংরক্ষণ ও বিপণন উন্নয়ন’ প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপপরিচালক এন এম আলমগীর বাদশা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মুআল্লেমা খানম, সরকারি কৃষি বিপণন কর্মকর্তা শাহীন আহমেদ, মাঠ ও বাজার পরিদর্শক আব্দুর রহিম, প্লেয়ার আসাদুজ্জামান এবং অফিস সহকারী পারভেজ মোশাররফ,ও প্রশিক্ষক নাজমুন নাহার নিপা।
প্রশিক্ষণে বক্তারা আলুর পুষ্টিগুণ, বহুমুখী ব্যবহার, আধুনিক সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা বলেন, আলুতে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও খাদ্যআঁশ রয়েছে। শুধু তরকারি বা ভাতের সঙ্গে নয়, আলু দিয়ে চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, বিস্কুট, ফ্লেক্স, স্টার্চ এমনকি পশুখাদ্যও তৈরি করা সম্ভব। সঠিক প্রযুক্তি ও উদ্যোক্তাদের দক্ষ ব্যবহারে আলু শিল্প দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে জেলার পাঁচ উপজেলার ৫০ জন নারী-পুরুষ উদ্যোক্তা অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীরা আলু দিয়ে বিভিন্ন পণ্য প্রক্রিয়াজাত করে প্রদর্শন করেন।