
পঞ্চগড় প্রতিনিধি :রোগীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে সারাদেশের মতো পঞ্চগড়ে ও কর্মবিরতি পালন করেছে।
রবিবার (৩০ নভেম্বর ২০২৫) সকাল ৯ টায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি অনুষ্ঠিত হয়।
স্বাস্থ্যঝুঁকিতে জীবন বাজি রেখে কাজ করলেও ন্যায্য গ্রেড থেকে তারা বঞ্চিত। অন্যান্য ডিপ্লোমাধারী কর্মকর্তাদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে উন্নীত করা হলেও টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়ে গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্যের শিকার হওয়া
স্বাস্থ্যখাতের গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা
কর্ম বিরতিতে বক্তারা বলেন, দেশের স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা প্রতিদিন প্রত্যক্ষভাবে রোগীর সঙ্গে কাজ করেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য নমুনা সংগ্রহ, ল্যাব পরীক্ষণ, রিপোর্ট প্রস্তুত, এক্স-রে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই পরিচালনা, ওষুধ সংরক্ষণ ও সরবরাহসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি ধাপে তারা নিরলসভাবে কাজ করে থাকেন।
তবুও দীর্ঘদিন ধরে তাদের বেতন গ্রেড, পদোন্নতি ও সুবিধায় বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে।
বক্তারা বলেন, একই দক্ষতা ও দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত অন্যান্য পেশাজীবীরা যেখানে ১০ম গ্রেড পেয়েছেন, সেখানে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা আজও সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত। দ্রুত তাদের দাবি পূরণ না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।
বক্তারা বলেন, হাসপাতালের প্রতিটি বিভাগে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা প্রতিদিন অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করেন। তাদের দক্ষতা, ঝুঁকি ও কাজের চাপ বিবেচনা করলে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
তারা আরও বলেন, ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন হলে স্বাস্থ্যসেবা আরও গতিশীল হবে এবং কর্মপরিবেশে নতুন উদ্যম সৃষ্টি হবে।
কর্মবিরতিতে উপস্থিত ছিলেন,
বি কে দাস (ফার্মাসিস্ট),
লাভলী খাতুন (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট – ল্যাব),
অজয় কুমার সরকার (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট – রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং),
আব্দুল্লাহ আল মামুন (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট – ডেন্টাল),
রবিউল ইসলাম (মেডিকেল টেকনোলজিস্ট রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং
এছাড়া বিভিন্ন বিভাগের আরও অসংখ্য টেকনোলজিস্ট, ফার্মাসিস্ট, স্টাফ ও কর্মকর্তা কর্ম বিরতিতে অংশ নেন।