
ফজলার রহমান গাইবান্ধা থেকে ঃগাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ড নুনিয়াগাড়ি গ্রামে ট্রাক্টর চলাচলকে কেন্দ্র করে মারধর ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। ৩০ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ঐ এলাকার আওয়ামীলীগের সহসভাপতি মকবুলের বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যাওয়াকে কেন্দ্র করে দুজন ট্রাক্টর চালকের সাথে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে এই আওয়ামী লীগ নেতা মকবুল তার বড়ভাই আবু সায়েদ এবং ভাতিজা কৌশিক,মোহনের বিরুদ্ধে।
হামলার শিকার ট্রাক্টর চালক মোহাব্বত (২৫) পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি এবং রেজা (২৪) ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা যায়। আহত ট্রাক্টর চালকদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসা প্রদান করেন।
হামলার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত স্থানীয়রা মকবুলের বাড়ি ঘেরাও করে ভাঙচুরের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পলাশবাড়ী থানা পুলিশ ও “সি সার্কেল” ঘটনাস্থলে আসে। কিন্তু তাদের উপস্থিতিতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছিল না।
পরে স্থানীয়রা বিষয়টি পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতকে অবহিত করলে পৌর সেক্রেটারি আইনুল হকের নেতৃত্বে দলীয় কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করতে সক্ষম হয়।পরবর্তীতে উপজেলা আমীর জনাব আবু বক্কর সিদ্দিকী ঘটনাটি নিজ দায়িত্বে তদারকি করেন এবং অভিযুক্তের নামে মামলা দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের পরামর্শ দেন।
এদিকে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত মকবুলকে পুলিশি হেফাজতে নিতে রং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গাইবান্ধা জেলা সদর থেকে রিজার্ভ ফোর্স রওনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এমন ঘটনায় পুলিশ আরো জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।