
।। শহীদুল ইসলাম শহীদ, পঞগড়।।
প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের শিক্ষকদের বেতন স্কেল ১০ম গ্রেডে নির্ধারণ; ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির বিষয়ে জটিলতার অবসান এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি দাবিতে পঞ্চগড়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পূর্ণ বিরতি কর্মবিরতি শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদ তিন দফা দাবিতে পঞ্চগড় জেলার ৬৬৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। এতে আগামীকাল সোমবার থেকে অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে অনিশ্চয়তা শুরু হয়েছে। জেলায় ৯৫ হাজার প্রাথমিক শিক্ষার্থীর বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে অনিশ্চিতা দেখা দিয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষা বর্জনসহ রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে বলে জানিয়েছে সহকারী শিক্ষকরা।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের এক যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আশ্বাসের পর ১৮ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও অদ্যাবধি তিন দফা দাবির মধ্যে আপাতত ১১তম গ্রেডের প্রজ্ঞাপন জারি ও অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বানে গত ২৭ নভেম্বর সারাদেশের প্রায় সব বিদ্যালয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি পালন করার জন্য সব সহকর্মীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। আমাদের প্রিয় সহকর্মী শহীদ ফাতেমার আত্মত্যাগ ও দুই শতাধিক সহকর্মীর রক্ত বৃথা যেতে দেবো না।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের কমিটমেন্ট অনুযায়ী আপাতত ১১তম গ্রেডসহ তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে যথারীতি পূর্বের ন্যায় পরীক্ষা বর্জনসহ লাগাতার পূর্ণদিবস কর্মবিরতি কর্মসূচি চলবে।
অভিভাবকরা বলেন, শিক্ষকদের এসব দাবি মেনে নিন। শিশুদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দিন।