
শান্ত পাহান (ঠাকুরগাঁও)।। আমাদের দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মানুষজন ফেসবুক ভাইরাল হওয়ার প্রতিনিয়ত রিলিস ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকের পেইজে আপলোড করে। যতোই দিন যাচ্ছে ততই আমাদের দেশের শহর থেকে শুরু করে গ্রামের অঞ্চলের স্টুডেন্ট শিক্ষক সহ নানা পেশার মানুষেরা ভাইরাল হওয়ার জন্য টিকটক আর ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করতেছেন এই ভিডিও করার জন্য তাদের কি জীবনে কোন ধরনের বিপদের আশঙ্কা করা যায় না আপনরা বলেন তো? আমি যেহেতু লেখক তাই বলতে চাই তারা এই ভিডিও করার জন্য অবস্যই তারা বিপদের মুখে পড়বে সেটা। আমি মানতেছি যে ফেসবুক পেইজে নিজের মৌলিক ভিডিও আপলোড করে আয় করা সম্ভব তাই বলে কি আপনি আপনার সামনের ভবিষ্যতে অন্ধকারে দিকে নিয়ে যাবেন সেটা। আমি এই সমাজের অভিভাবকদের কি বললো তারা তো নিজেরাই এখন ফেসবুকে রিলিস ভিডিও বানাতে ব্যস্ত সময় পার করতেছেন। তাদের ছেলে- মেয়েরা কি করছো সেইদিকে তো তাদের কোন খেয়াল নেই তারা শুধু কিছুটা ভাইরাল হওয়ার জন্য ভিডিও বানাতে মাতোয়ারা হয়ে যাচ্ছেন। ছেলে- মেয়েদের পড়ার টেবিলে দিকে তাদের কোন খেয়াল নেই এইটা বাস্তব চিত্র। আর ফেসবুকের কথা আর কি বলবো আমরা প্রতিনিয়ত ফেসবুকে সকাল বিকাল সন্ধ্যা রাত্রি যখুনি আমরা ফেসবুক আইডি গিয়ে দেখি ছেলে মেয়েদের রিলিস ভিডিও। বিশেষ করে ফেসবুক ভিডিও করার জন্য বেশি সচেতন হওয়া দরকার মেয়েদের। যারা পড়াশোনা করে তাদের। আপনি একটা মেয়ে স্টুডেন্ট আজকে আপনি ভিডিও করতেছেন কিছুটা ভাইরাল আর ইনকাম করার আশায়। কখনো কি ভেবে দেখেছেন এই ভাইরাল হওয়াটা আপনার ভবিষ্যতে কি বিপদের কারণ হয়ে দাড়াবে সেটা। যদি আপনি আপনার আগামী দিনের ভবিষ্যতে কথা চিন্তা করতেন তাহলে আপনি ভুলেও ফেসবুকে ভিডিও করে আপলোড করতেন। মনে করেন আপনার বাসায় আপনার বিয়ের সম্বন্ধে প্রস্তাব আসলো ভালো একটি পরিবার থেকে। যারা ভালো ফ্যামিলির হয়ে থাকে তারা এইরকম ভাইরাল মেয়ে বা ছেলেকে তারা পছন্দ করে। এই ভাইরাল হওয়ার জন্য আপনার বিয়ে না হতে পারে তাই এখন থেকে আপনি সচেতন হয়ে যায়। না হলে অন্ধকারে আপনার জীবটা শেষ হয়ে যাবে এই সমাজ থেকে। মানছি আজকে ফেসবুক আপনার অনেক ফলোয়ার বা অডি আয়স রয়েছে। যেইদিন বিপদ আসবে তারা সেইদিন আপনার পাশে কেউ থাকবে না। আজকে আপনার ভিডিও দেখে তারা লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার করে কিন্তু পরে এদেরকে আপনি কাউকে পাবেন না। তাই আগামী দিনের ভবিষ্যতের চিন্তা করে এখন থেকে সচেতন হয়ে যান। হাতে একটা ১০-২০ হাজার টাকা ফোন ব্যবহার করতেছেন ঠিক আছে। কিন্তু একটা খেয়াল জিনিস রাখবেন আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া যায় কিন্তু বাস্তবে সাফল্যতা অর্জন করা সম্ভব না এইটা সত্যি কথা। দৈনিক সরেজমিন বার্তা জাতীয় পত্রিকা সাংবাদিক জলাশ পাহান বলেছেন, তার ফেসবুক আইডিতে যারা আজকাল আদিবাসী ছেলে মেয়েরা কনটেন্ট ভিডিও করতেছেন আমাদের দেশীয় নেশা হাঁড়িয়া নিয়ে তাদের তিনি আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি জানিয়েছেন। সেই সাথে তিনি বলেছেন আদিবাসী কনটেন্ট মিলন মেলায় কি ধরনের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে কনটেন্ট ক্রিয়েকটদের নেশা হাঁড়িয়া নিয়ে ভিডিও করার জন্য। তিনি আরো বলেছেন, যেখানে নেশা নিয়ে প্রশাসন সহ আমরা সবাই এটার বিপক্ষে তাহলে কেনো কনটেন্ট ক্রিয়েকটরা নেশা হাঁড়ি নিয়ে ভিডিও করতেছে এটার জন্য তিনি তাদের বিরুদ্ধে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দাবি করতেছেন। এদের যদি আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হয়। তাহলে ভবিষ্যতে কেও এটা নিয়ে আর ভিডিও করার সাহস পাবে না সেটা।