
রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের ২ নং নেকমরদ ইউনিয়নের (ঘনশ্যামপুর) গ্রামের বাসিন্দা বাবুল পাহান। বয়স তার অনেক হয়েছে কিন্তু পরিবারের অভাব অনটনের কারণে একটা কম্বল কেনার সামর্থ্য ছিলো তার। এই কনকনে শীতে তার জীনটা কাটছিলো খুব কষ্টের। এই বৃদ্ধ বাবুল পাহান থাকে তার ছেলে বউয়ের সাথে। ছেলে বউ দিন আনে দিন খান। অন্যের বাড়িতে কাজ করে। যে টাকা দিয়ে তার ছেলে তার বাবা একটা কম্বল কিনে এনে দিবে সেই টাকায় তাদের তিনবেলা খাওয়ার জন্য চাল কিনে আনতে হয়। তাই তার বাবার অনেক বয়স হয়ে গেছে তারপরও তারা একটা কম্বল কিনে দিতে পারিনি টাকা না থাকার কারণে। আদিবাসী বৃদ্ধ বাবুল পাহানকে লেখেন তাদের আদিবাসী লেখক শান্ত পাহান এইভাবে “আমার এই শীতে একটা কম্বল কেনার সামর্থ্য নেই’ এই প্রতিবেদনটি সেই আবার রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী (কর্মকর্তা) ইউএনও স্যার মিস খাতিজা বেগমকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দেন। ইউএনও স্যার লেখক শান্ত পাহান পাহান এর বৃদ্ধ বাবুল পাহান এর প্রতিবেদনটি দেখেই শান্ত পাহানকে বলেন, আদিবাসী বৃদ্ধ বাবুল পাহান এর ঠিকানা ফোন নাম্বার দেওয়ার জন্য। শান্ত পাহান বাবুল পাহান এর ঠিকানা ফোন নাম্বার লিখে পাঠিয়ে দেন। আজকে সকালে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পি আইও ) অফিস থেকে বাবুল পাহানের নাম্বারে কল দেয় বলেন আপনাকে আজকে সকালে আপনাকে আপনার এনআইডি কার্ড এর ফটোকপি নিয়ে অফিসে আসতে হবে। আপনাকে একটা কম্বল দেওয়া হবে। বৃদ্ধ বাবুল পাহান কম্বল দেওয়ার খুশির খবরটা ফোনে পেয়ে নাতিকে নিয়ে অফিসে চলে যায়। এবং আজকে কম্বল পেয়ে ইউএনও স্যারকে ধন্যবাদ জানাই। এবং বলেন আমাদের ইউএনও স্যার খুব ভালো মনের মানুষ। তাই আমার মতো অসহায় গরিব মানুষটা একটা কম্বল দিয়েছে আমি খুব খুশি হয়েছি কম্বলটা পেয়ে।