1. live@dailyzhornews.com : দৈনিক ঝড় : দৈনিক ঝড়
  2. info@dailyzhornews.com : দৈনিক ঝড় :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পড়াশোনার পাশাপাশি সুন্দর মন-সুন্দর দেহ গড়তে খেলাধুলার বিকল্প নেই…. জেলা প্রশাসক  সাংবাদিক ইউনিয়ন দিনাজপুরের কার্যনির্বাহী সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা শাকিলা ফারজানাকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ পঞ্চগড়ে এক অসহায় পরিবারের পাশে ‘গরিবের বন্ধু’ অ্যাডভোকেট আহসান হাবিব ঠাকুরগাঁওয়ে শহরের কাছেই অবহেলিত জনপদ: বাঁশের সাঁকোই যখন দুই হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা। খালেদা জিয়া ও শহীদ জিয়ার আদর্শকে ধারণ করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান : ফরহাদ আজাদ পঞ্চগড়ে ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি সংহতি আর নির্বাচন একসাথে নওশাদের বালিয়াডাংগীতে চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন: শ্রমিকদল সভাপতির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ স্বতন্ত্র হয়েও যিনি আজ জনতার হৃদয়ে শীর্ষে—তিনি হক সাহেব

ঠাকুরগাঁওয়ে শহরের কাছেই অবহেলিত জনপদ: বাঁশের সাঁকোই যখন দুই হাজার মানুষের একমাত্র ভরসা।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:ঠাকুরগাঁও শহরের কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া টাঙ্গন নদী এখন কয়েক হাজার মানুষের জন্য এক বিশাল দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহরের দার্জিলিং রোডের রিভারভিউ স্কুল সংলগ্ন জমিদার পাড়া থেকে মরিচাখারী যাওয়ার একমাত্র ভরসা এখন জরাজীর্ণ একটি বাঁশের সাঁকো। বছরের পর বছর আশ্বাস মিললেও এখানে একটি স্থায়ী ব্রিজ নির্মিত না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে স্থানীয়দের মাঝে।
​সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মরিচাখারী, ঘাটপাড়া, বিহারী পাড়া, হাজীপাড়া ও চাপাতি মোড় এলাকার প্রায় দুই হাজারেরও বেশি মানুষ প্রতিদিন এই নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে কোমলমতি স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে।​বর্ষা মৌসুমে যখন নদীর পানি বেড়ে যায়, তখন এই সাঁকোটিও অকেজো হয়ে পড়ে। তখন নৌকাই হয় একমাত্র ভরসা। স্থানীয়রা জানান, নদী পার হতে জনপ্রতি ১০ টাকা এবং সাইকেল বা মোটরসাইকেল পারাপারে ২০ টাকা করে গুনতে হয়। নিম্নবিত্ত মানুষের জন্য এই খরচ নিত্যদিনের বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।​স্থানীয় পথচারী মনছুর আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শহরের দার্জিলিং রোডে বিশাল বাজেটে দৃষ্টিনন্দন রাস্তার কাজ হচ্ছে, অথচ আমাদের এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে একটি ব্রিজের জন্য বারবার অনুরোধ করলেও কোনো সমাধান হচ্ছে না।”​আরেক পথচারী লাবু জানান, বর্ষাকালে নদী পার হওয়া অসম্ভব হয়ে পড়লে শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রায় ৩ কিলোমিটার পথ ঘুরে সেনুয়া ব্রিজ দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে সময় এবং শ্রম দুটিই অপচয় হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক নেতারা ব্রিজ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটের পর সেই প্রতিশ্রুতি আর আলোর মুখ দেখে না।​এ বিষয়ে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন বিশ্বাস জানান, ওই এলাকার মানুষের ব্রিজের দাবিটি দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত যৌক্তিক। তিনি বলেন, “আমরা ইতিবাচকভাবে বিষয়টি নিয়ে চাহিদা (ডিমান্ড) পাঠিয়েছি। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ পাওয়া গেলে অনতিবিলম্বে ব্রিজটি নির্মাণের কাজ শুরু করা হবে।”ঠাকুরগাঁওয়ের এই অবহেলিত জনপদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে টাঙ্গন নদীর এই পয়েন্টে একটি আধুনিক ব্রিজ নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সাধারণ মানুষের এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

মজিদ
ঠাকুরগাঁও
০১৭৭৩০৮২৬৪২

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য ও ছবি পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রকাশিত যেকোনো লেখার বিষয়বস্তু সম্পর্কিত দায়ভার কেবলমাত্র, সম্পাদক এর।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট